নিশি ভূত // সুদীপ ঘোষাল

নিশি ভূত // সুদীপ ঘোষাল
ভূত বলে কিছু হয় না জানি। তবু ভূতের প্রতি আমার ছোট থেকেই দূর্বলতা আছে। ভূত সমাজে ভাল, মন্দ সব রকমের ভূত আছে। আমার দাদু বলতেন, একবার চাষের জমিতে জল লাগবে। টাকা পয়সার অভাবে জল দিতে পারি নি। রাতে শুয়ে ভাবছি, আমি রোগী আবার সত্তর বছরের বুড়ো। এ ঘোড়া আর ঘুরে ঘাস খাবে না।চাঁদের আলোয় বসে আছি জেগে।

.

কি সুন্দর পৃথিবীর রঙ। সকলের যদি আহারের ব্যবস্থা থাকত তাহল দুঃখ থাকত না। আর তারজন্য চাষের জমির পরিমাণ বাড়াতে হবে। জলের ব্যবস্থা করতে হবে। এইসব ভাবছি, এমন সময়ে দরজায় টোকা। আমি বললা, কে? বাইরে থেকে আওয়াজ এল, চলে আয় বাইরে।

.

মন্ত্রমুগ্ধে চলে গেলাম বাইরে, তারপর মাঠে। সে আমাকে বলল, তুই বসে থাক। এখানকার সব জমিতে জল দেব। একটু দূরে বড় পুকুর ছিল। ওই পুকুরে ভয়ে আমরা যেতাম না।

.

দিনের বেলায় পর্যন্ত ওখানে হাসির শব্দ পেত সবাই।
তারপর আর কিছু মনে নেই।
পরের দিন মাঠে গিয়ে দেখি, জলে জলময় সব মাঠ। এই নখরার সময় এত জল দেখে সবাই অবাক।

দাদু বললে, কি করে মাঠে এত জল এল আজ পর্যন্ত বুঝতে পারিনি।

.

.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *