টুকরো গল্প – মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ

ভদ্রজন মধ্যবিত্তরা ঋণ করে অতিথি আপ্যায়নে অপচয়ও করে থাকে।টেবিলে প্রচুর খাবার।খাবারের রেসিপিতে রন্ধনশিল্পীর কারিশমাতে ডায়নিংটেবিলের চারদিক মুখরিত।পরিবেশনেও সর্বোচ্চ শিল্পগত মেধার স্বাক্ষর জ্বলজ্বল করছে।

ডায়াবেটিস —মিষ্টি নিষেধ।
পেটে পেপটিক আলসার—-টক নিষেধ
স্টার্চজাতীয় খাবার, শাক -সবজী,  ডাল খেতেই পারেন না —–পেটে গ্যাসে চাপ দেয়।ওসবে এলার্জী বাড়ে বলে নিষেধ।
এখন বাকি ফল—-ওফ তাতে তো ফরমালিন।
তাহলে খাবেনটা কী? একগ্লাস ঘোল দিই?
না না দুধ জাতীয় খাবার আমার পীরবাবা মানা করেছে।
তাহলে এইযে আয়োজন এর কী হবে।
আয়েম সরি।এক গ্লাস পানি, প্লিজ।
ওটাও তো বোতলজাত।সিলাজিনেলায় আক্রান্ত। আশপাশে তো বিাশুদ্ধ সুপেয় পানির কোনো সোর্সই যে নেই।
কী আর করবেন।তা ই দিন।
পানি একঢোক খেয়ে অতিথি একটা এরিনমোর ধরালেন।
সমস্ত খাবারের কিয়দংশ বাসায় প্রয়োজন মাফিক খেয়েও বাকিটার গন্তব্য ডাস্টবিন।
গৃহকর্মী সালেহা বললো,আমারে দিয়া দেন।আমার আবুদুবাইন  মেলাদিন খাইতে পারবো।হালাল খাওনডা নস্ট কইরেন না।
সালেহাদের খাদ্যদুষণ,বিষ,ফরমালিনের ভয় নেই।আগে খেয়ে বাঁচতে হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *